Image Description

জিন্নার প্রেম বাংলা ও ভারত ভাগ

৳300
Format Hardcover
Year 2025
Language Bangla
ISBN 9789842006982
Edition First
Pages 86

কায়েদে আজম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ্ । একজন তুখোড় রাজনীতিক। নামকরা আইনজীবীও। ইস্পাত কঠিন দৃঢ় প্রত্যয়ে বলীয়ান প্রচণ্ড ব্যক্তিত্বসম্পন্ন একজন মানুষ। পাকিস্তান সৃষ্টির মহানায়ক। তাঁর অনমনীয় দৃঢ়তা ও জীবনব্যাপী সার্থক রূপায়ন পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা। ব্যক্তিত্ব, যুক্তিপ্রয়োগের কৌশল, আকর্ষণ শক্তি, গোল টেবিল আলোচনা ও আইনসভার বক্তৃতায় অসাধারণ প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব, ভব্যতা, আদব কায়দা এসব বিষয়ে জিন্নাহ্ চিরকালই ছিলেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী। কিন্তু দৃঢ় চরিত্রের কঠিন মানুষের মনেও একদিন অবাক করার মতো প্রেম আসে। তিনি হয়ে যান একজন প্রেমিক। প্রেমেরও সফল রূপায়ন হয় তার জীবনে। মনে অনেক প্রেম থাকলেও প্রকাশে ছিলেন খুবই কুণ্ঠিত। কঠিন বাস্তবতাকে নিয়ে ছিল তার পথ চলা । তাই তার পারিবারিক জীবনে ছন্দপতন ঘটতেও দেখা যায়। উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা, ঢাকায় এসে তার এ ঘোষণা বাঙালির মনে আগুন ধরিয়ে দেয়। ঢাকা থেকে ফিরে গিয়ে মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত ভাষার ব্যাপারে আর কোনো উক্তি করেননি তিনি। সাংবাদিক মরহুম মোদাব্বেরের লেখা থেকে জানা যায় মৃত্যুর পূর্বে কায়েদে আজম ভাষার ব্যাপারে তার উক্তির জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন। ভাষা প্রশ্নে ১৯৫২ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকায় রক্তপাত ঘটে খাজা নাজিমুদ্দিনের অবিমৃশ্যকারিতার পরিণামে । " “মুসলিম লীগের আন্দোলন যেরূপ ‘গদাই-লস্করী' চালে চলছিল, তাতে আমি আমার অন্তরে কোনো বিপুল সম্ভাবনার আশার আলোক দেখতে পাইনি । হঠাৎ লীগ নেতা কায়েদে আজম যেদিন ‘পাকিস্তানের’ কথা তুলে হুঙ্কার দিয়ে উঠলেন-'আমরা ব্রিটিশ ও হিন্দু দুই ফ্রন্টে ভারতের পূর্ণ স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করব’–সেদিন আমি উল্লাসে চিৎকার করে বলেছিলাম- হাঁ, এতদিনে একজন সিপাহ সালার-সেনাপতি এলেন । আমার তেজের তলোয়ার তখন ঝলমল করে উঠল।” -কাজী নজরুল ইসলাম"

Harun-uz-zaman / হারুন-উজ-জামান

মোঃ হারুন-উজ-জামান ভূঁইয়া বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের একজন চৌকস কর্মকর্তা। এর বাইরেও রয়েছে তার বর্ণাঢ্য পরিচিতি। তিনি একজন লেখক, গবেষক ও শব্দশিল্পী। শব্দের কারুকার্যে পরম মমতায় বোনেন প্রিয় মানুষ, প্রিয় মাটি, প্রিয় প্রকৃতি ও দেশ বিদেশের নানা কথা। এদেশের মাটির মতোই অকৃত্রিম মমতায় ঘেরা তার স্বভাব। ঋদ্ধ মেধা ও মননে একজন আলোকিত মানুষ তিনি। এ পর্যন্ত তার প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা তিন। দেশের স্বনামধন্য আবৃত্তি সংগঠন মুক্তকণ্ঠ আবৃত্তি একাডেমির তিনি একজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের একজন সফল আবৃত্তিকার। বাংলাদেশ বেতারের নিয়মিত সংবাদ পাঠক এবং বাংলা একাডেমির জীবন সদস্য তিনি। বাবা সূরুজ আলী ভূঁইয়া ও মা যেবিন্দা সুলতানার দ্বিতীয় ছেলে তিনি। বয়সে রবীন্দ্রনাথের থেকে ঠিক একশ বছরের ছোট। ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দে নরসিংদী জেলার মনোহরদী উপজেলার সুজলা সুফলা ছবির মতো সুন্দর গ্রাম গোতাশিয়ার স্নিগ্ধ কোলে তাঁর জন্ম। পড়ালেখার হাতেখড়ি স্থানীয় পাঠশালায়। ছোটবেলা থেকেই মেধাবী হারুন সকলের দৃষ্টি কাড়েন। জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় লাভ করেন অসাধারণ কৃতিত্ব। পান মেধা বৃত্তি। ঢাকা গবর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাইস্কুল থেকে এসএসসি ঢাকা কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএস সি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৃত্তিকা বিজ্ঞানে স্নাতক সম্মান ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। পেশাদারিত্বের পাশাপাশি মানসিক উৎকর্ষ সাধনের নিমিত্ত এপর্যন্ত বিশ্বের প্রায় ১৫ দেশ সফর করেছেন। ২০১৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি পালন করেছেন পবিত্র হজব্রত। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত এবং দু কন্যার বাবা।